অবশেষে সেই পথশিশুর চোখের জ’খম নিয়ে যা জানা গেল আসল তথ্য!

সেই পথশিশুর চোখের জ’খম নিয়ে যা জানা গেল আসল তথ্য-আচ্ছা, যে লক’ডাউন দিয়েছে, সামনে ঈদ, মানুষে খাবে কী? মাননীয় মন্ত্রী যে একটা লক’ডাউন দিয়েছে সেটা ভু’য়া, থ্যাংকইউ।’ সাংবাদিকের লাইভের মাঝে হঠাৎ করে ঢুকে পড়ে এই কথাগুলো বলেছিল ১০-১১ বছর বয়সী এক শিশু।

যা গত দুদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভা’ইরাল। এক ভিডিওক্লিপেই দেশব্যাপী আলোড়ন তুলেছে সেই শিশু। কে এই শিশু? আর কোথায় কবে ঘ’টল এই ঘ-টনা জানতে আ-গ্রহী নেটিজেনরা। সেই দুই প্রশ্নের জবাব পাওয়ার আগেই ফেসবুকে ভা-ইরাল হয়েছে ওই শিশুর আরও একটি ছবি।

যেখানে দেখা গেছে, তার চোখে-মু-খে মা’রে’র জ’খ’ম, একটি চো’খ ফো’লা। ওই ছবিটি নিয়ে ফে-সবুকে গু-ঞ্জন শু-রু হয়েছে, লক’ডাউন প্র-সঙ্গে এ-মন -বক্তব্য দিয়ে কোনো একটি প-ক্ষের রো’ষা’ন’লে প’ড়েছে শিশুটি। তাই তা-কে মা’র’ধ’র করা হ’য়েছে।

এমন ছবি ও গু’ঞ্জনের বি-ষয়টি ফের ভাই’রাল হয়ে পড়ে নেট দুনিয়ায়। অনেকেই দুঃখপ্রকাশ করে শি-শুটির নি’র্যা’ত’নকা’রীদের বি-চার দাবি করেন। কেউ বা তার দায়িত্ব নিতে চান। এমন প-রিস্থিতিতে খোঁ-জ নিয়ে জানা গেছে, সাংবাদিকদের লাইভে এসে লক’ডাউন নিয়ে প্রশ্ন তোলা শিশুর নাম,মো. মারুফ।

সে একজন পথশিশু। বাবা-মা সঙ্গে থাকে না সে। রাজধানীর কো-টকাচারি, জগন্নাথ কলেজ, ভিক্টোরিয়া পার্ক,সদরঘাটসহ পুরানঢাকার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে বেড়ানোই তার কাজ। উল্লেখ্য, করো’নার উচ্চ সং’ক্রম’ণ রোধে সরকারের জারি করা চলমান সর্বাত্মক লক’ডাউনে পুরান ঢাকার চিত্র তুলে ধরতে গত সোমবার লাইভে হাজির হন এক অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিক।

ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত এলাকা থেকে ফেসবুকে লাইভ করেন প-লাশ মল্লিক নামের ওই সাংবাদিক। লাইভ চলাকালে পথশিশু মারুফ ক্যা-মেরার সামনে এসে ঈদকে সমনে রেখে দেওয়া লক’ডাউন নিয়ে প্রশ্ন তোলে। সেই ভিডিও ভা-ইরালের দুদিনের মধ্যেই ভা-ইরাল হয় মা-রুফের চো-খ ফো-লা ছবি।

কে বা কা-হারা তাকে মে’রে’ছে সেই প্রশ্ন খুঁ’জতে গেলে স্থানীয়দের অনেকের দাবি, মারুফের সঙ্গে তার এলাকার পথশিশুদের মা’রা’মা’রিতেই এই জ’খমে’র ঘ’টনা ঘ’টেছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মা’রামা’রিতে জ’খ’মের পর রুহুল আমিন নামে এক ব্যক্তি শিশু মারুফের সঙ্গে আদালত এলাকায় একটি সেলফি তোলেন।

সেই সেলফি থেকে শিশুটির ছবিটি কে-টে নিয়ে পরে ‘মনগড়া’ অ’ভিযোগ তুলে ভা-ইরাল করা হয় ফেসবুকে। এদিকে রুহুল আমিনের ফেসবুকে একটি পোস্টে মারুফের সঙ্গে তোলা সেই সেলফিটি দেখা গেছে। ছবির নিচে একজন কমেন্ট করে জানতে চান, ছেলেটিকে কোথায় পাওয়া গিয়েছে। তার চোখ এমন ফো’লা রয়ে’ছে কেন।

জবাবে রুহুল আমিন লেখেন, ‘জজকোর্টের সামনে। চো’খে কি হইছে জি-জ্ঞেস করি নাই। ফুটপাতে থাকে, নে’শাও করে। হয়তো নিজেদের মধ্যে মা’রা’মা’রি করতে পারে।’ বুধবার বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা মা-রুফকে খুঁজে বের করেন। তাকে তার জ’খ’মের বিষ’য়ে জি’জ্ঞেস করা হয়।

মারুফ জানায়, লক’ডাউন নিয়ে এমন বক্তব্য দেও’য়াতেই তাকে মা’রা হ’য়েছে। রাত ১০ টায় কোর্ট প্রা’ঙ্গনেই তাকে মা’রা হ’য়েছে। তবে কে বা কারা তা জানাতে পারেনি মারুফ। মারুফ জানায়, তার বাবা বিক্রমপুরে থাকেন। মা-বাবার ছা-ড়াছাড়ি হয়ে গেছে। তিনি অন্যত্র সং’সার করছেন।

মারুফের বিষয়ে সদরঘাটের রিকশাচালক, দো-কানদাররা জানিয়েছেন, শিশুটি ছিন্নমূল। পার্ক, ফুট’পাতে ঘু’মায়। কেউ খাবার দিলে খায়, আবার অনেক সময় চেয়ে নিয়ে খায়। সে মা’দ’কাস’ক্ত। ডা’ন্ডি না-মক এক মা’দ’ক সে-বন করে সে। অনেকের মতে, লকডাউন নয়, হয়তো ডা’ন্ডি সে’বনের কা-রণে পু-লিশ তাকে শাসি’য়েছে বা মে’রে’ছে। এমনটা এসব প-থশিশুদের সঙ্গে হয় প্রায়ই। নে-শা বা টাকা-পয়সা নিয়ে বন্ধুদের ম-ধ্যেও প্রায়ই মা’রা’মা’রি হয় মা-রুফের।

এটা ওদের জন্য স্বা-ভাবিক। মারুফের বিষয়ে প্কোতয়ালি থা-নার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান এক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি ওই শিশু বা ভা-ইরাল কোনো ঘ-টনার বিষয়ে এখন পর্যন্ত জানি না।’সূত্রাপুর থা-নার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুনুর রহমান বলেন, ‘ঘটনাটি ভাই’রালের পর আমরা ওর খোঁ-জ নিয়েছি। কোনো পু-লিশ ওর গায়ে হাত তোলেনি।jugantor

Author: Admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *