বি’স্মিত ভক্তরা> এত দিন পর মিললো নায়ক শাহীন আলমের গো’পন পরিচয়!

মিললো নায়ক শাহীন আলমের গো’পন পরিচয়-নব্বই দশকের চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা শাহিন আলম না ফেরার দেশে চলে গেছেন । গত সোমবার (৮ মার্চ) মৃ-ত্যুব-রণ করেন তিনি। এক সময়ে চলচ্চিত্রে দা-পিয়ে অ-ভিনয় ক-রতেন শাহিন আলম। কিন্তু মৃ-ত্যু-র দী-র্ঘদিন আগেই অ-ভিনয়কে

বি-দায় জানিয়ে শুরু ক-রেছিলেন নিজের ব্যবসা। মৃ-ত্যুর আ-গ প-র্যন্ত তা-কে আর সিনেমায় ফি-রতে দেখা যা-য়নি। শাহীন আলমকে অ-ন্যভাবে আ-বিস্কার করা গেল একজন হা-উজ টি-উটরের নবয়ান থেকে। যার ব-র্ণনায় উঠে এসেছে শাহীন আলমের মা-নবিকতার চিত্র। কাজী মুশফিকুর রহমান জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন।

সেই সময় পড়াতেন শাহীন আলমের ছেলেকে। যিনি ছাত্র থাকাকালীন শাহীন আলমের ছেলের গৃহশিক্ষক ছিলেন। তিনি নিজে ফেসবুকে লিখেছেন ‘সেই বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শেষ দিকের কথা, আমার পড়াশোনার খরচ জোগানো বাবার পক্ষে খুব কষ্ট হয়ে যাচ্ছিলো… তখন শাহীন আলম সাহেবের ছেলেকে

পড়িয়ে নিজের খরচ চালাতাম। মগবাজারে ওনার বাসা ছিলো। তারপর চলে গেলেন নিকেতনের ঝকমকে ফ্ল্যাটে, আমি পরলাম ম-হাফাঁপরে। সেই জাহাঙ্গীরনগর থেকে আসতাম দুপুরের বাসে, আসাদগেট নেমে গুলশান-১ ট্যাম্পুতে তারপর হেঁ-টে নি-কেতন… এখনকার মতো নি-কেতন নয়, সবে শুরু হয়েছে বাড়ি ওঠা। সে গল্প থাক আ-ত্মজী-বনীর জ-ন্য।’

গল্পে মু-শফিকুর আরও লিখেছেন, ‘যখন বাচ্চাটাকে পড়িয়েছি বেশীরভাগ দিনই দুপুরের ভাত খাওয়াটা হতো না, সেই জাহাঙ্গীরনগরে ২.৩০ এর বাস ধ-রতে ছু-টতে হতো। সেই জাহাঙ্গীরনগর টু নিকেতন। কাঁচা রাস্তা। মহাখালী ফ্লাইওভারের কাজ চলে… সে এক তৃ-তীয় বি-শ্বযু-দ্ধ। পড়ানো শেষ করে ফিরতে হতো রাতে… যাক সে আলাপও থাক।

একদিন শাহীন আলম সাহেব এর মা এসে দেখলেন চায়ের সাথে দেয়া গোটা কয়েক বিস্কুট এক নি-মিষেই খে-য়ে ফে-লেছি, চ-রম ক্লা-ন্ত ও ক্ষু-ধার্ত আ-মার সেদিকে কোন খে-য়াল ছিলো না। পরদিন থেকে হঠাৎ রকমারি নাস্তা আসতো। রা-ক্ষুসে খি-দেটা মি-টতো। একদিন কালো স্যুট পরা শাহীন আলম সাহেব আমাকে

রাতে নিকেতনের কাঁ-দাপানিতে ফিরতে দেখেন, আমি হ-ন্তদ-ন্ত হয়ে ৮টার বাস টা-র্গেট করে জো-র ক-দমে হাঁ-টছি ব-লা ভুল হবে, দৌ-ড়োচ্ছি… পরেরদিন ছেলের পড়া দেখতে আসবার ছলে অবজারভ করেন আমি সমুচা-রোল যা দেয় তা ঝাঁ-পিয়ে পরে খাই। পড়া-নোর চেয়ে খাওয়ায় আমার আ-গ্রহ। কোনও কথা না বলে অন্য রুমে চলে যান।’

কাজী মুশফিকুরের স্ট্যাটাসে যেন মানবিকতার সাগর এক শাহীন আলমকে দেখা গেল। তিনি বললেন, তারপর থেকে মাস্টার্স দেয়া অবধি যতদিন ফাহিম সম্ভবত ছেলেটার নাম, পড়িয়েছি আমার জন্য বাহারি তরকারি দিয়ে ভাত আসতো নাস্তা হিসেবে। রাতে ওনার চকচকে গাড়িটা বেশিরভাগ দিনই আসাদ গেট নামিয়ে দিয়ে যেত বিশ্ববিদ্যালয়ের

৮টার বাস ধরতে। বেতনও বাড়িয়ে দিলেন না চাইতেই! এমন অসীম মমতাবান একজন মানুষকে আপনারা চিনেন একজন অভিনেতা হিসেবে, অ-শ্লীল ছ-বিও করেছেন তিনি… আপনাদের হিসেবে। আর আমি চিনি একজন অ-ভু-ক্ত মানুষকে পরম মমতার ছায়ায় আ-শ্রয়দাতা হিসেবে। আপনাদের হিসেবে কুলোবে না। শাহীন আলম আল্লাহতালা আপনাকে অনেক অনেক শা-ন্তিতে রাখুক। আমিন।’

শাহীন আলম মঞ্চ নাটকের মাধ্যমে অ-ভিনয় শুরু করেন। ১৯৮৬ সালে এফডিসির ‘নতুন মুখের স-ন্ধানে’-এর মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অ-ভিনয় করার সু-যোগ পান তিনি। তাঁর প্রথম মু-ক্তিপ্রা-প্ত চলচ্চিত্র ‘মা-য়ের কা-ন্না’, এটি ১৯৯১ সালে মু-ক্তি পে-য়েছিল।bd24live

Author: Admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *