খুলে গেল জটঃ কে যে নেহার মা, আর কে যে নেহার বাবা> জানাগেল প্রকৃত ঘ’টনা

নেহার বাবা-মায়ের পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন-ম’দপানের পর স’ম্প্রতি বেসরকারি বিশ্ব’বিদ্যালয়ের ছা’ত্রী মা’ধুরী এবং আ’রাফাত না’মের দুইজনের মৃ’ত্যু হ’য়। একই ঘ’টনায় অ’সুস্থ হয়ে প’ড়েছিলো তাদের সঙ্গে থাকা মা’ধুরীর খুব কা’ছের বন্ধু রায়হান এবং আরেক বা’ন্ধবী নুহাত আলম তাফ’সীর। মা’মলাটির সূ’ত্র ধরে আ’রটিভি নিউজ অ’নুসন্ধানে নামে।

এই অ’নুসন্ধানে এবার বে’রিয়ে এসেছে ডিজে নেহার পরিবারের ব’হুরূপী ত’থ্যজট। নেহা ওরফে ডি’জে নে’হার পরিবার নি’য়েই তৈ’রি হয়েছে এক ভি’ন্নরক’মের ধ্রু’মজাল। এই জ’টিল প’রিস্থিতির কূ’লকিনারা যে’নো খুঁ’জেই পা’ওয়া যাচ্ছিলো না! কে যে নেহার মা, আর কে যে নে’হার বাবা, তা নি’য়ে এবার প্র’শ্ন উঠেছে।

এমন বাস্তবতায় আরটিভি নিউজ চে’ষ্টা করেছে নেহার প’রিবারের জটিল তথ্য বি’ভ্রাটের গভী’রে ঢু’কে প্র’কৃত ঘ’টনা তু’লে ধরতে। নে’হার মা এ’তোটাই চতুর তিনি ঘন ঘন বাসা বদল করেন। এ’রমধ্যে কোনো বাসায় তিনি নে’হার মা, আবার কোনো বাসায় তিনি নেহার খালা প’রিচয় দিয়ে বাসা ভা’ড়া নেন।

নেহার পরিবার:

আরটিভি নিউজের হাতে আসা ড’কুমেন্ট বলছে, নেহার মা’য়ের জন্ম ১৯৮৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর। তার পরিবার বলছে, প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগেই নেহার মায়ের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পরই নে’হার বাবা মা’রা যান। এর পরেই এক ব্যক্তির সঙ্গে নেহার মা’য়ের পরিচয় ঘটে। অ’তঃপর নে’হার জন্ম। এমন প্রক্রিয়াতেই এক অ’স্বাভাবিক রকমের পরিস্থিতির মুখোমুখি হন নেহার মা। নেহার মায়ের পরিবার অ’ভিযোগ

করছে, নেহার মা’য়ের সঙ্গে যার দ্বি’তীয় বিয়ে হয় ওই ব্যক্তি খুবই দু’ষ্টু প্রকৃতির। যিনি প’রনারী আ’সক্ত ছিলেন। যদিও আরটিভির হাতে এমন ধরণের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। দ্বিতীয় স্বামী নেহার মাকে, নেহাকে এবং নেহার ছোট বো’নকে প্রচ’ণ্ড মা’রধর ক’রতেন, পাশাপাশি মা’নসিক নি’র্যাতনও ক’রতেন বলে অ’ভিযোগ পা’ওয়া গেছে। তবে উ’ল্টো অ’ভিযোগও পা’ওয়া গেছে যে, নেহার মা’য়ের চা’রিত্রিক ত্রু’টি থা’কার দরুন তার বাবা তা’দের ছে’ড়ে চ’লে যান। তিনি আ’জিমপুরে থাকেন এবং পুরান ঢাকায় ছোটখাটো ব্যবসা করেন।

নেহার প্রকৃত নাম কোনটি?

সম্প্রতি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রী মাধুরী এবং তাদের সঙ্গে থাকা আরেক তরুণ আ’রাফাত মা’রা যা’ওয়ার পর একটি মা’মলা দা’য়ের হয়। যে মা’মলার বা’দি মা’ধুরীর বাবা। মা’মলাটি রা’জধানীর মোহাম্মদপুর থা’নায় দা’য়ের হয়। ওই মা’মলা বি’ষয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে

নে’হার প’রিচয় দি’তে গি’য়ে ডিএমপি’র তে’জগাঁও বি’ভাগের ডিসি হারুন অর রশীদ জানান, নেহার পুরো নাম ‘ফারজানা জামান নেহা’। অন্যদিকে আরটিভির অ’নুসন্ধানে নেহার পুরো নাম ‘ফারজানা হক’ পাওয়া গেছে। যা নেহার মা’ই একটি ড’কুমেন্টে লি’পিবদ্ধ ক’রেছেন। একই ডকুমেন্টে নেহার মা তার ছোট মে’য়ের নাম লিখেছেন ‘আনিকা হক’।

নেহার মা কে?

অ’নুসন্ধানে নেমে আরটিভি নিউজ প্র’মাণ পায়, নেহার পরিবার বর্তমানে মিরপুর-২ এর আহম্মেদনগরের একটি ভবনের তৃতীয় তলায় বসবাস করছে। তারা এ বাসায় ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে উঠেন। এই বাসায় নে’হার মা পুলিশের ভা’ড়াটিয়া তথ্য নি’বন্ধন ফরমে নিজের নাম লিখেছেন ‘ফারহানা মজুমদার’। আ’রটিভি নিউজের হাতে আসা তার জাতীয় পরিচয় বলছে, তার নামটি সঠিক।

তার গ্রামের বাড়ি, যা স্থায়ী ঠিকানা- যশোর সদর, লোন অফিস পাড়া, উমেশ চন্দ্র লেন এলাকায়। এই বাসাটিতে তিনি নেহার মা পরিচয় দিয়ে উঠেন বলে জানা গেছে। ঢাকার মিরপুরের বর্তমান বাসার ভাড়া’টিয়া তথ্য নি’বন্ধন ফরমে পরিবার সদ’স্যদের ঘরে নে’হার মা প্রথমে স্বামীর নাম উল্লেখ করেন। এর পরেই প্রথম মে’য়ে

‘ফারজানা হক’ এবং দ্বিতীয় মেয়ে হিসেবে ‘আনিকা হক’ এর নাম উল্লেখ করেন। জটিলতা এখানেই যে, পু’লিশ বলছে নেহার পুরো নাম ‘ফারজানা জামান নেহা’। অন্যদিকে নেহার মায়ের লেখা প্রমাণ বলছে নেহার নাম ‘ফরজানা হক’! এই প্র’তিবেদনটি পু’রোপুরি মনোযোগ দিয়ে প’ড়লেই এসব জ’টিলতার জ’ট খু’লবে বলে আ’শা করা যায়।

নেহার প্রকৃত বাবা কে?

সরেজমিনে পাওয়া নেহার মায়ের লিখিত ডকুমেন্ট বলছে, নেহার বাবার নাম ‘মোজাম্মেল হক’। অনুসন্ধান বলছে, মোজাম্মেল হক আসলে নেহার বাবা বা তার মায়ের বিয়ে করা স্বামী নয়। এই ব্যক্তি চট্টগ্রামে থাকেন, মাঝে মাঝে নেহাদের বাসায় আসেন এবং কয়েকদিন আদর-আপ্যায়ন নিয়ে ফের চট্টগ্রামে চলে যান। নেহাদের বর্তমান বাসাটি তিনিই ভাড়া করে দেন, ওই বাসা ভাড়া নেওয়ার সময়ে বাড়িওয়ালা এবং নি’রাপত্তা কর্মীর কাছে নেহার মাকে স্ত্রী বলে পরিচয় করিয়ে দেন। সে হিসেবে তিনি নেহার বাবা পরিচয়ে বাসাটি ভাড়া নেন। একই সময়ে নেহার মাও মোজাম্মেল

হককে নিজের স্বামী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন। ওই সময়ে নেহার মা জানান যে, তার স্বামী চট্টগ্রামে ইনকাম টেক্স নিয়ে কাজ করা একজন অ্যাডভোকেট। বস্তুত এটিই হলো পিলে চম’কে ওঠার ম’তো ঘটনা। অ’নুসন্ধান বলছে, দীর্ঘদিন যাবত নে’হার মায়ের সঙ্গে এই ব্য’ক্তির অ’বৈধ স’ম্পর্ক চ’লমান র’য়েছে। এদিকে আইন প্রয়োগকারী সং’স্থা ত’থ্য পেয়েছে, নেহার জন্মদাতা বাবা মি. জামান রাজধানীর আজিমপুরে থাকেন এবং পুরান ঢাকায় ব্যবসা করছেন। তার সঙ্গে নেহার মায়ের দূরত্ব চলছে দীর্ঘদিন যাবত।

নেহা বিপথে যাওয়ার পেছনে পরিবারের যে ভূমিকা:

খুব সাধারণ ‘নেহা’ থেকে ‘ডি’জে নেহা’ ওরফে ‘কুইন নেহা’ হয়ে ওঠার পেছনের ঘটনা খুঁ’জতে সরেজমিনে অনু’সন্ধান চালিয়েছে আরটিভি নিউজ। এক পর্যায়ে কথা হয় নেহার বড় খালা শা’হানাজ পার’ভীনের সঙ্গে। যিনি যশোর শিক্ষা বোর্ডে চা’করিরত আছেন। তিনি আরটিভি নিউজকে বলেন, নেহাকে আমি কোলে পি’ঠে করে বড় করেছি। ছোট বেলা থেকেই নেহা খুবই সহজ সরল ‘প্রকৃতির মেয়ে। তাকে ফাঁ’সানো হচ্ছে, এর পেছনে কোন পু’রুষ মা’নুষতো অ’বশ্যই জড়িত আছে। বাচ্চা মানুষতো একটা ভু’ল ক’রতেই পারে। নেহার এমন পথে পা বাড়ানোর

পেছনে দা’য়িত্বের ক্ষেত্রে মা’য়ের কোনো অবহেলা ছিলো না, তবে বাবার অব’হেলা আছে। বাবা খুব ট’র্চার ক’রতো মেয়েটাকে। আমার বোনের মে’য়েটা স্প’ষ্টবাদী, কোনো ছেলেকে হয়তো পা’ত্তা দেয় না, তাই শ’ত্রুতা করে এমনটা করেছে। মেয়েটা ছোটবেলা থেকে আ’ঘাত পেতে পেতে এমন হয়ে গেছে যে, মে’য়ে কা’উকে ছা’ড় দি’য়ে কথা বলে না। যা বলে সামনা সা’মনেই বলে বসে। মে’য়ের ফু’ফুরাও তাকে মা’থার মধ্যে জো’রে জো’রে আ’ঘাত ক’রতো, মা’রধর ক’রতো।

আরটিভি নিউজের সঙ্গে কথা বলার সময়ে খুবই আবে’গী হয়ে পড়েন নেহার খালা শাহানাজ পারভীন। কা’ন্না জ’ড়িত ক’ণ্ঠে তিনি বলেন, আসলে মেয়ে’টার কোনো দো’ষ নেই। বাবার অ’বহেলা আর অ’বজ্ঞার কারণেই পু’রুষবিহীন সং’সার ছিলো আমার বোনের। প’রিস্থিতিতে মে’য়েটা এমন হয়ে যায়। নেহা গ্রে’প্তার হওয়ার পর আমার বো’ন খা’ওয়া দাও’য়া ব’ন্ধ করে দিয়েছে। আমার বো’নটাও জটিল রোগে আ’ক্রান্ত। তারা আসলেই খুব সম’স্যার মধ্যে আছে।

রিস্থিতির মু’খোমুখি হয়ে তারা যেখানেই গিয়েছে সে’খানেই লা’ঠি ঝা’টা খে’য়েছে! তাদের ভা’গ্যটাই খা’রাপ। নেহার খালা আরও বলেন, অ’ভাব অন’টনের কা’রণে নেহার ছোট বোন আনিকা আমার কাছেই বড় হ’য়েছে। তাকে আমি বড় করেছি। সে এখনও পড়াশোনা করছে। গত ডিসেম্বরে নতুন বাসায় ওঠার পর আনিকা আমার কাছ থেকে তার মা’য়ের কাছে চলে যায়। যেহেতু আমার একমাত্র ছেলে বি’য়ের পর তাকে মো’টেও সহ্য ক’রতে পা’রছিলো না। তাই আ’নিকাকে ঢাকায় পা’ঠিয়ে দিয়েছি। এদিকে আ’মিও অ’সুস্থ হয়ে পড়েছি।

খালাতো ভাই বিশাল বি’ভ্রাট:

নেহার খালাতো ভাই পরিচয় দেওয়া শা’ফায়াত জামিল বিশাল মূ’লত তাদের র’ক্তের স’ম্পর্কের আ’ত্মীয় নয় বলে জানান নেহার খালা। তিনি বলেন, নেহারা আগে যে বাসায় ভাড়া থা’কতো ওই বাসার এক ম’হিলাকে ধ’র্মের বোন ডে’কেছে আমার বোন। সে থেকেই নেহা ও বিশাল খা’লাতো ভাইবোন পরিচয়ে এ’কসঙ্গে চ’লাফেরা করতো, ঘুরে বে’ড়াতো। বি’শাল উ’শৃঙ্খল প্র’কৃতির ছেলে।

আ’মাদের স’ন্দেহ হচ্ছে- বিশালের হাত ধরেই নেহা এমন পথে পা বা’ড়ায়। বিশালের মা খুবই খা’রাপ প্রকৃতির ম’হিলা। জানতে পে’রেছি, বি’শালের মা সম্প্রতি পঞ্চম বিয়ে করেছেন এক ব্য’বসায়ীকে। এই মহিলা একের পর এক টাকা’ওয়ালাদের বিয়ে করে ব্লা’কমেইলিংয়ের মাধ্য’মে লাখ লাখ টাকা হা’তিয়ে নেয়, অ’বশেষে মোটা দা’গে ধা’র্য করা কা’বিনের টাকাও। এখন ছেলে বি’শালসহ বি’দেশে পাড়ি জ’মানো ধা’ন্দায় আছে সে।

বোন জানে না বোনের স্বা’মী কে!

নেহার মা ফারহানা মজুমদারের বড় বোন শাহনাজ পা’রভীনকে তার বোনের স্বামীর নাম পরিচয় জানেন না! বোনের স্বামীর নাম জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি কৌ’শলে এড়িয়ে যাও’য়ার চেষ্টা করেন। পরে ব’র্তমান বাসার ভা’ড়াটিয় তথ্য নি’বন্ধন ফরমে স্বা’মী হিসেবে উল্লেখ থাকা ‘মো’জাম্মেল হক’ এর বিষয়ে নি’র্দিষ্টভাবে জা’নতে চাইলে

তিনি বি’ব্রত হয়ে বলেন, ‘আমিতো যশো’রে থাকি। তার বিষয়ে তো বলতে পারছি না। এটা সেই বলতে পারবে, আমি তো ওর বা’সায় যাই না। আমি একটা কথাই বলছি- একটা পরিবারে পু’রুষ গার্ডি’য়ান না থাকলে যা হয়, তা আ’পনারাই ভালো জানেন। এ বিষ’য়ে আমার বলার কিছু নেই, আপ’নারাই বুঝে নেন। পার’লে ওদের কা’ছেই শুনে নেন।’

নেহা ও তার মায়ের প’রিচয় বি’ভ্রান্তি:

ডিজে নেহাদের আগের বাসার ঠিকানা- পশ্চিম মনিপুর, মিরপুর-২ এর একটি বাসার ৪র্থ তলা। ২০১৯ সালের যখন ওই বা’সাটিতে ভাড়া ওঠেন নেহার মা ফারহানা মজুমদার, তখন ওই ভবনের লোকদের কাছে তিনি নে’হাকে বো’নের মেয়ে বলে পরিচয় দিয়ে বাসা ভাড়া নিয়েছিলেন, অর্থাৎ তিনি নি’জেকে নেহার খালা প’রিচয় দিতেন।

ওই বাসায় প্রায়ই বো’রখা পড়া এক ম’হিলা আ’সতো, যাকে নেহার মা পরিচয় দেওয়া হতো। বলা হতো, পা’রিবারিক জ’টিলতার কারনে নেহার খা’লার বা’সাতেই থাকছেন। এমন প’রিস্থিতিতে তাদের পা’রিবারিক রি’কশা চালক সুমনও বি’ভ্রান্তিতে প’ড়ে যেতো। তবে এ নিয়ে ওই রি’কশা চালক মুখ খু’লতে চা’ননি।

নেহার মায়ের জাতীয় পরিচয় পত্রের বয়স নিয়ে স’ন্দেহ:

নেহার মা ফারহানা মজুমদারের জাতীয় পরিচয়পত্রে তার নিজের বয়স উল্লেখ রয়েছে তিনি ১৯৮৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর জন্ম গ্রহণ করেছেন। সে হিসেবে আজ পর্যন্ত ওনার বয়স ৩১ বছর ৪ মাস ৮ দিন চলছে। অন্যদিকে মা’মলার এজহারে নেহার বয়স আ’নুমানিক ২৫ বছর উল্লেখ করা হয়েছে।

এক্ষেত্রে মেয়ের সাথে মায়ের বয়স মাত্র ৬ বছর পা’র্থক্য। এরমধ্যে নে’হার ছোট একটি বোনও রয়েছে। তাহলে প্রশ্ন উঠতেই পারে, মাত্র ৬ বছর বয়সে কেমন করে তিনি স’ন্তান জন্মদান করলেন? এর প্রেক্ষিতে সং’শ্লিষ্টরা মনের করছেন তিনি হয় বয়স লু’কিয়েছেন, অন্যথায় ভা’ড়াটিয়া তথ্য ফরমে যে ভো’টার আইডি’র ফ’টোকপি যুক্ত ক’রেছেন, তা ভু’য়া বা জা’ল।

পু’লিশের বক্তব্য:

সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সংশ্লিষ্ট মা’মলার হালনাগাদ তথ্য জানতে ত’দন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সাজেদুল হককে কল দেওয়া হলে তিনি আরটিভি নিউজকে বলেন, এই মামলার বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারবো না। যা বলবেন স্যা’ররাই বলবেন। এরপর সন্ধ্যা ৬ টা ১১ মিনিটে কল দেওয়া হয় তেজগাঁও বিভাগের ডিসি হারুন অর রশী’দকে। তবে তিনি ফোন কল রিসিভ করেননি। উল্লেখ্য, এই মা’মলায় আ’সামি নেহা বর্তমানে রি’মান্ডে র’য়েছে। মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) তার পাঁ’চ দি’নের রি’মান্ড শে’ষ হবে। এরপরই তাকে আ’দালতে হা’জির ক’রবে পু’লিশ। সূত্র: আরটিভি নিউজ।

Author: Admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *