চুম্বক ও চৌম্বক পদার্থের পার্থক্য কি?

চুম্বক ও চৌম্বক পদার্থের পার্থক্য কি?

 

চুম্বক ও চৌম্বক পদার্থের পার্থক্য নিম্নরূপ–

চুম্বক

 

চুম্বকের দুই প্রান্তে দুটি মেরু আছে।

কোন চুম্বকের মেরু অপর চুম্বকের সমমেরু দ্বারা বিকর্ষিত হয়।

চুম্বক দ্বারা চৌম্বক পদার্থে আবেশ সৃষ্টি করা যায়।

চুম্বকের আকর্ষণী ও দিকদর্শী ধর্ম আছে।

নানা কারণে চুম্বকের চুম্বকত্ব নষ্ট হতে পারে।

চৌম্বক পদার্থ

 

 

 

 

 

চৌম্বক পদার্থের মেরু নেই।

চৌম্বকের উভয় মেরু দ্বারা আকর্ষিত হয়।

চৌম্বক পদার্থ দ্বারা চৌম্বক আবেশ সৃষ্টি করা যায় না।

চৌম্বক পদার্থের আকর্ষণী ও দিকদর্শী ধর্ম নেই।

এর চুম্বকত্ব নাই তাই নষ্ট হবার প্রশ্ন উঠে না।

চুম্বকন মাত্রা কাকে বলে?

উত্তর : সুষমভাবে চুম্বকায়িত কোনো স্থায়ী বা আবিষ্ট চুম্বকে একক আয়তনের চৌম্বক ভ্রামককে চুম্বকন মাত্রা বলে।

 

চৌম্বক প্রবণতা কাকে বলে?

উত্তর : একটি চৌম্বক ক্ষেত্রে একই আকৃতির বিভিন্ন পদার্থ বা বিভিন্ন আকৃতির একই পদার্থ রাখলে বিভিন্ন পরিমাণ চৌম্বকত্ব আবিষ্ট হবে। পদার্থের চুম্বকায়িত হওয়ার এ গুণকে চৌম্বক প্রবণতা বলে।

 

 

 

 

 

 

চৌম্বক ক্ষেত্র কাকে বলে?
উত্তর : কোন চুম্বকের চতুর্দিকে এর আকর্ষণ বা বিকর্ষণজনিত ক্রিয়া যত দূর পর্যন্ত অনুভূত হয় অর্থাৎ তার প্রভাব যে স্থান পর্যন্ত বিস্তৃত হয় সেই স্থানকে ঐ চুম্বকের চৌম্বক ক্ষেত্র বলে। সুস্পষ্টভাবে বলা যায়, চৌম্বকক্ষেত্র হলো চুম্বকের চুম্বকত্ব এলাকা।

চৌম্বক আবেশ ক্রিয়া কাকে বলে?
উত্তর : একটি স্থায়ী চুম্বকের কোনো মেরুর নিকট চৌম্বক পদার্থ আনলে চৌম্বক পদার্থটি অস্থায়ীভাবে চুম্বকে পরিণত হয়। এ ঘটনাকে চৌম্বক আবেশ ক্রিয়া বলে।